তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

অর্থনীতি স্লাইড

 

শিল্প খাতে নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। মার্কিন ক্রেতারা চীন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার ধারাবাহিকতায় এ অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২৫ অনুযায়ী, টানা পঞ্চমবারের মতো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ হয়েছে বাংলাদেশ।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর বাংলাদেশ ৩৮ দশমিক ৮২ বিলিয়ন ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ভিয়েতনামের তুলনায় এ রপ্তানি প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার বেশি। তবে বছর ব্যবধানে বাংলাদেশের রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১ শতাংশ, যেখানে ভিয়েতনামের প্রবৃদ্ধি প্রায় ১১ শতাংশ।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্ববাজারের শীর্ষস্থান ধরে রাখলেও অব্যাহত মন্দার মুখে পড়েছে চীন। ২০২৫ সালে দেশটি ১৫৭.১১ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করলেও তা আগের বছরের চেয়ে ৪.৯২ শতাংশ কম। ফলে বৈশ্বিক পোশাক বাজারে চীনের অংশীদারত্ব কমে দাঁড়িয়েছে ২৭.৩৫ শতাংশে।

অন্যদিকে, বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।

বছরে ৩৮.৮২ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করে বিশ্ববাজারে শেয়ার দাঁড়িয়েছে ৬.৭৬ শতাংশ। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, বাংলাদেশে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ০.৮৯ শতাংশ, যা বৈশ্বিক গড় প্রবৃদ্ধির চেয়ে অনেক নিচে। বাংলাদেশে এই ধীরগতির বিপরীতে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করেছে ভিয়েতনাম। ৩৭.৫১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি এবং ১০.৫৩ শতাংশের বড় প্রবৃদ্ধি নিয়ে ভিয়েতনাম এখন বিশ্ববাজারের ৬.৫৩ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে।

বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘চীনের শেয়ারটা আসলে এতটা বড় যে, এখানে অন্যরা সেই অনুপাতে রপ্তানি বাড়াতে পারেনি।

এ কারণে আমরা দ্বিতীয় স্থানে আছি। দ্বিতীয় আর প্রথমের পার্থক্য তো ৩৮ আর ১৫৭। এর পরে ভিয়েতনামের অবস্থান।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *