হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে দক্ষিণ কোরিয়াকে সতর্ক করল ইরান

আন্তর্জাতিক স্লাইড

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নিলে দক্ষিণ কোরিয়াকে গুরুতর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান। সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশের সামরিক মোতায়েন বা সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনে সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।’ এ ধরনের পদক্ষেপের গুরুতর পরিণতি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এর আগে শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, তারা হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত না হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এদিকে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ বন্ধ হলেও হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে যে অবাধ নৌচলাচল ব্যবস্থা ছিল, সেখানে তারা আর ফিরে যাবে না।

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক বাহিনী মোতায়েন বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নিলে দক্ষিণ কোরিয়াকে গুরুতর পরিণতির মুখে পড়তে হবে বলে সতর্ক করেছে ইরান।

সোমবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকাই দক্ষিণ কোরিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ও হুমকির কাছে নতি স্বীকার না করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, পারস্য উপসাগর বা হরমুজ প্রণালিতে কোনো দেশের সামরিক মোতায়েন বা সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণকে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান আগ্রাসনে সরাসরি সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ ধরনের পদক্ষেপের গুরুতর পরিণতি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

এর আগে শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, তারা হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা কার্যক্রমে সহায়তা করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত না হলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

এদিকে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতিতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বড় ধরনের বোমাবর্ষণ বন্ধ হলেও হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধের কারণে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কার্যত থমকে গেছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রপ্তানির প্রায় এক পঞ্চমাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। এতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজগুলোকে অনুমতি নেওয়ার শর্ত দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি আঞ্চলিক দেশ এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। তবে ইরান জানিয়েছে, যুদ্ধের আগে যে অবাধ নৌচলাচল ব্যবস্থা ছিল, সেখানে তারা আর ফিরে যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *