জ্বালানি সংকটে টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যাহতের শঙ্কা

জ্বালানি সংকটে টেলিযোগাযোগ সেবা ব্যাহতের শঙ্কা

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি স্লাইড

 

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে জ্বালানি সংকটের কারণে টেলিযোগাযোগ খাতে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব)। সংগঠনটি অভিযোগ করেছে, জেনারেটর চালানোর জন্য পর্যাপ্ত তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এ পরিস্থিতিতে সারা দেশে টেলিকম সেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকারের কাছে টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর জন্য অগ্রাধিকারভিত্তিতে জ্বালানি সরবরাহ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে। অ্যামটব বলেছে, জ্বালানির দীর্ঘস্থায়ী কোনো সংকট দেশজুড়ে টেলিযোগাযোগ সংযোগ বিঘ্নিত এবং দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে পারে।

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি ও বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল অপারেটররা টেলিকম সেবায় সম্ভাব্য বিঘ্নের বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করেছিল। সরকার এ বিষয়ে ইতিবাচক সাড়া দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় সহায়তার নির্দেশনা দিলেও মাঠপর্যায়ে তার পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো দেখা যাচ্ছে না। এদিকে সাম্প্রতিক ঝড়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন বেড়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগছে। আসন্ন বর্ষা মৌসুমেও একই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে, যা টেলিকম নেটওয়ার্কের কার্যক্রমকে আরও ব্যাহত করতে পারে।

এ প্রেক্ষাপটে সরকারের কাছে মোবাইল শিল্প জরুরিভিত্তিতে একটি সমন্বিত সহায়তা কাঠামো প্রত্যাশার কথা তুলে ধরা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এতে বলা হয়, এই সহায়তার আওতায় থাকবে মূল নেটওয়ার্ক স্থাপনা, মোবাইল অপারেটর ও টাওয়ার কোম্পানি পরিচালিত বেস ট্রান্সসিভার স্টেশন (বিটিএস) সাইটগুলোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন ও অগ্রাধিকারভিত্তিক জ্বালানি সরবরাহ, রক্ষণাবেক্ষণ পরিবহনের জন্য আলাদা জ্বালানি বরাদ্দ, গুরুত্বপূর্ণ টেলিকম স্থাপনা এলাকায় লোডশেডিং কমানো এবং ঝড় ও আবহাওয়া সংক্রান্ত বিঘ্নের পর দ্রুততম সময়ে আরইবির বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করা। জেনারেটরগুলো চালিয়ে রাখতে জ্বালানি প্রাপ্যতার বিষয়টি নিশ্চিতের জন্যও বিজ্ঞপ্তিতে আহ্বান জানানো হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *