শপিংয়ের ক্লান্তি কাটাতে ইফতার পরবর্তী যা করবেন

শপিংয়ের ক্লান্তি কাটাতে ইফতার পরবর্তী যা করবেন

লাইফস্টাইল স্পেশাল

 

ঈদের আগে শপিং মানেই দীর্ঘসময় হাঁটা, ভিড়, দরদাম আর গরমের সঙ্গে লড়াই। রোজা রেখে এসব সামলে ইফতারের পর অদ্ভুত এক ক্লান্তিতে শরীর ভারী লাগে, মাথা ধরে, পা ব্যথা করে। তাহলে ইফতারের পর কী করলে দ্রুত শক্তি ফিরে পাবেন? জেনে নিন।

রোজার সময় দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর শরীরের শক্তির ভারসাম্য বদলে যায়। পানিশূন্যতা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। আবার পর্যাপ্ত তরল ও বিশ্রাম না নিলে দুর্বলতা দীর্ঘস্থায়ীও হতে পারে।

তাই ইফতারের পর কিছু সহজ ঘরোয়া কৌশল মেনে চললে ক্লান্তি অনেকটাই কমানো সম্ভব –

১. ধীরে ধীরে পানি পান

ইফতারের সঙ্গে সঙ্গে অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি না খেয়ে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করুন। ডাবের পানি বা লেবু-পানি শরীরের ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে।

শপিংয়ের ক্লান্তি কাটাতে ইফতার পরবর্তী ঘরোয়া টিপস

২. পুষ্টিকর কিন্তু হালকা খাবার

অতিরিক্ত ভাজাপোড়া খাবার ক্লান্তি বাড়াতে পারে। খেজুর, ফল, স্যুপ, ডাল বা প্রোটিনসমৃদ্ধ হালকা খাবার দ্রুত শক্তি জোগাতে সহায়ক। রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল থাকলে মাথা ঘোরা কম হয়।

৩. পা ডুবিয়ে রাখুন কুসুম গরম পানিতে

দীর্ঘ সময় হাঁটার পর পায়ে রক্তসঞ্চালন কমে যায়। কুসুম গরম পানিতে ১০–১৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখলে পেশির টান কমে এবং আরাম লাগে। চাইলে অল্প লবণ মিশিয়ে নিতে পারেন।

৪. হালকা স্ট্রেচিং

ইফতারের এক ঘণ্টা পর হালকা স্ট্রেচিং করলে শরীরের জড়তা কমে। কাঁধ, ঘাড় ও পায়ের পেশি আলতোভাবে নড়াচড়া করলে রক্তসঞ্চালন বাড়ে এবং ক্লান্তি কম অনুভূত হয়।

শপিংয়ের ক্লান্তি কাটাতে ইফতার পরবর্তী ঘরোয়া টিপস

৫. পর্যাপ্ত ঘুম

রাতে দেরি করে শপিং বা আড্ডা দিলে ঘুমের ঘাটতি হয়। পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ঘুম শরীরের পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করে। তাই অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করুন।

শপিংয়ের আনন্দ যেন শরীরের ওপর বাড়তি চাপ হয়ে না দাঁড়ায়, সেদিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন। ইফতারের পর সামান্য সচেতনতা ও কিছু ঘরোয়া যত্নই ফিরিয়ে দিতে পারে স্বস্তি ও শক্তি।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন, সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন, ন্যাশনাল স্লিপ ফাউন্ডেশন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *