পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে বরাবরই ভালো খেলে থাকেন লিটন কুমার দাস। সিলেট টেস্টেও দারুণ ক্রিকেট খেলেছেন তিনি। ৫২ রানেই তার সাজঘরে ফেরার কথা ছিল। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ক্যাচ নিলেও জোরালো আবেদন করে পাকিস্তানের ফিল্ডাররা। আম্পায়ার তাতে সাড়া দেননি। পাকিস্তান রিভিউ না নেওয়ায় বেঁচে যান লিটন। নতুন ‘জীবন’ পেয়ে ১২৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে ২৭৮ রানে পৌঁছে দিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন।
প্রথম দিনের খেলা শেষে সেঞ্চুরি করা লিটন বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে নামার সময় উইকেটটা একটু কঠিন ছিল। জানতাম না খেলাটা এত দূরে যাবে। যখন শুরুতে যাই মনে হচ্ছিল, টেলএন্ডের অবস্থা খুব একটা ভালো না। চিন্তা ছিল মারতে গিয়ে যদি আরো ৩০ রান করে অলআউটও হয়ে যাই, অন্তত কঠিন কন্ডিশনে আমাদের বোলাররা বোলিং করতে পারবে।’
এর আগে শেহজাদ বলেছেন, ‘তারা ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। লিটনের ভাগ্য সহায় হয়েছে। একটা নয়, দুটি সুযোগ তৈরি হয়েছিল। যদি সেগুলো নেওয়া যেত। তাহলে হয়তো সব কিছুই আলাদা হতো। হয়তো দুই শর আগেই অলআউট হয়ে যেত তারা।’
প্রথম ইনিংসে ১১৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পরও ২৭৮ রান তুলতে সক্ষম হয় বাংলাদেশ।
ব্যাটি বিপর্যয়ের দিনে দলের ত্রাতার ভূমিকা পালন করেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস। তিনি দলীয় সর্বোচ্চ ১২৬ রান করেন। ৫৪ টেস্টের ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি হাঁকান লিটন।
বাংলাদেশের করা ২৭৮ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শনিবার শেষ বিকালে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৭ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান।


