খুনিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

৬১

ডেস্ক রিপোর্ট: ইবাইস ইউনিভার্সিটির প্রফেসর নিরু রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে সন্তান নিয়ে আজ বেলা এগোরোটায় সংবাদ সম্মেলন করেন নিহতের স্ত্রী সৈয়দা শাহিন রুনা।

প্রফেসর নিরু রায়হানকে হত্যার এক বছর অতিবাহিত হলেও ধরা ছোঁয়ার বাইরে খুনিরা। এখনো প্রচন্ড দাপটে ঘুরে বেড়াচ্ছে খুনিরা। তাই চিহ্নিত খুনিদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে ঢাকা ক্রাইম রিপোটার্স এ্যাসিসিয়েসন (ক্রাব) মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনের আয়োজন করে নিহতের পরিবার।
খুনের পরিকল্পনাকারী মনোরঞ্জন শীল মনো, কনা রানী শীল, অর্পিতা রানী টুম্পা, ভাগিনা সুশান্ত শীল শান্ত, বিমল শীল, অমল শীল, ভাতিজা অন্জন শীল ও মিথুন দীপ জয়।

গতো ৮ই মার্চ কবর হতে ২ বছর পর আবার তোলা হয়েছে ক্ষতবিক্ষত গলিত লাশটাকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য। বর্নোর বাবা হত্যার চিহ্নিত খুনিদের বিচারের দাঁড় গোড়ায় পৌঁছানো আর বাবার রেখে যাওয়া উত্তরাধিকারের অধিকারের প্রত্যাশায় মা ও সন্তান সংগ্রাম করে যাচ্ছে।

বরিশালে উজিরপুর উপজেলার ধামুরা বন্দর এলাকার গজেন্দ্র গ্রামে প্রফেসর নিরু রায়হানকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে পরিবারের লোকজন। বানিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামে এনজিওতে চাকুরির সুবাদে পরিচয় হয় হিন্দু ধর্মালম্বী প্রফেসর নিরন্ঞ্জন শীল নিরু ও সৈয়েদা শাহিন রুনার সাথে। পরিচয় থেকে ভালোলাগা আর ভালোলাগা থেকেই ইসলামের মহান আলোয় দীক্ষিত হয়ে প্রফেসর নিরন্ঞ্জন শীল নিরু হতে হয়ে যান প্রফেসর নিরু রায়হান।

২০০১ সালেই ভালোবাসার প্রিয় মানুষটির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। ভালোই চলছিলো দুজনার সাজানো সংসার। এক সময় দুজনার সংসার আলোকিত করে আসে ছোট্ট অনির্বান পৃথিবী বর্ন। হঠাৎ যেনো এক ঘন অনামিশার অন্ধকার এসে সবকিছু তছনছ করে দেয়। প্রফেসর নিরু রায়হানের ধর্মান্তরিত মেনে নিতে পারেনি তাঁর পরিবার। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে মেনে নিতে পারেনি তাঁর ভাইয়েরা। প্রফেসর নিরু রায়হানের কোটি টাকার সম্পত্তির লোভে দিশেহারা তাঁর ভাই অমল চন্দ্র শীল, বিমল চন্দ্র শীল ও মনোরঞ্জন শীল মোক্ষম সময়ের অপেক্ষায় থাকে।

২০১৯ সালের ২৫ শে ফেব্রুয়ারী নিজ বাড়িতে সম্পত্তি বুঝে নিতে যান প্রফেসর নিরু রায়হান। সম্পত্তি বুঝিয়ে দেওয়া দূরে থাক,পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে প্রফেসর নিরু রায়হানকে।
তাঁর স্ত্রী, সন্তানকে না জানিয়েই আলামত ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে তাড়াহুড়ো করে কবর দেয় প্রফেসর নিরু রায়হানকে এবং স্হানীয় চেয়ারম্যানের কাছে গিয়ে স্ত্রীর নাম খালি রেখেই মৃত্যু সনদ তোলে।

স্ত্রী, সন্তানকে শেষ দেখানোর জন্য প্রয়োজন বোধ করেনি খুনিরা। বর্তমানে মামলাটি সিআইডির তত্বাবধানে তদন্ত চলছে।
ছোট্ট অর্নিবান পৃথিবী বর্ন পিতৃ হত্যার বিচারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন করে।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.