স্বপ্নের পদ্মা সেতু(শেষ পর্ব)

৩১

মোঃ রফিক ভূঁইয়া খোকা,ব্যুরো প্রধান,ময়মনসিংহঃ পদ্মা সেতুর বিবরন-
★নির্মাণ শুরু ৭ ডিসেম্বর ২০১৪।
★নির্মাণ কাজ শেষ হবে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে ( আনুমানিক)।
★নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি যা চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড এর আওতাধীন।
★সেতুটির নকশা করে(AECOM)।
★পদ্মা সেতু প্রকল্পে মোট ব্যয় ( মূল সেতুতে) ৩০ হাজার ৭৯৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা ।
★এ প্রকল্পে নদী শাসন ব্যয় হয়েছে ৮ হাজার ৭০৭ কোটি ৮১ লাখ টাকা।
★এ সেতুতে থাকবে মাঝখানে রোড ডিভাইনারসহ চার লেনের সড়ক।
★এ সেতুতে থাকবে গ্যাস,বিদ্যুৎ ও অপটিকাল ফাইবার সংযোগ পরিবহন সুবিধা।
★এ সেতুতে রেললাইন স্থাপিত হচ্ছে স্প্যানের মধ্য দিয়ে।
★এ সেতুর ভায়াডাক্ট ৩.১৮ কিলোমিটার।
★পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক দুই প্রান্তে (জাজিরা ও মাওয়া) ১৪ কি.মি।
★পদ্মার দুই পাড়ে নদী শাসন হয়েছে ১২ কি.মি।
★প্রায় চার হাজার মানুষ এ প্রকল্পে কাজ করছে।
★ এ সেতুর জন্য মোট ৮১টি ভায়াডাক্ট পিলার আছে।
★পানির স্তর থেকে সেতুর উচ্চতা ৬০ ফুট।
★সেতুর পাইলিং গভীরতা ৩৮৩ ফুট।
★এ সেতুর মোট পিলার ৪২টি।
★পিলার প্রতি পাইলিং ৬টি আর ২২টি পিলারের পাইলিং হয়েছে ৭টি করে(মাটির কারণে)
★সেতুতে মোট ৪১টি স্প্যান বসাতে ১,১৬৭ দিন সময় লেগেছে।
★সর্বশেষ স্প্যান বসানো হয়েছে ১০ ডিসেম্বর ২০২০।
★মোট পাইলিংয়ের সংখ্যা ২৮৬ টি।
★এ সেতু নির্মাণের ফলে দেশের মোট জিডিপি ১.২ শতাংশ বাড়বে।
★সেতুটি নির্মাণ পরিচালনার জন্য একটি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ প্যানেল তৈরি করা হয়। উক্ত প্যানেলের সভাপতি করা হয় অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধূরিকে।
★পদ্মা সেতুর ভৌত কাজকে মূলত পাঁচটি প্যাকেজে ভাগ করা হয় -মূল সেতু, নদী শাসন, জাজিরা-মাওয়া অ্যাপ্রোচ রোড, টোল প্লাজা, মাওয়া ও জাজিরা সার্ভিস এরিয়া।
★নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান জানিয়েছে, সেতুটি যান চলাচলের উপযোগী হতে আনুমানিক ২০২২ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত লেগে যাবে।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.