সুগন্ধা নদীর ভাঙন গৃহহীন পরিবার খোলা আকাশের নিচে

৩৮

স্টাফ রিপোর্টারঃ

দীর্ঘদিন যাবত ভেংগে চলেছে ৩নং ওয়ার্ডের সুগন্দ্বার তীরবর্তী প্রথম অংশের বিভিন্ন স্থানে, গৃহহীন হয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে অনেক পরিবার।

গত মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে হঠাৎ করে শুরু হওয়া ভাঙনে এরই মধ্যে একটি বসতঘর ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা নদীতে বিলীন হয়ে যায়। আজ বুধবার দুপুরে মরহুম মোনাসেফ আলী হাং (ফরিদ হোসেনের পিতা)র বসতঘড় পর্জন্ত ফাটল দেখা দিলে, জান-মালের নিরাপত্তার স্বার্থে অত্র পরিবারের লোকজন অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়।

৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দুলাল হাওলাদার ও ক্ষতিগ্রস্তরা৷ সাংবাদিক দের জানান, মঙ্গলবার দুপুরে আকস্মিকভাবে গুরুধাম এলাকার ভাঙন শুরু হয়। এতে আবুল কালাম নামে একজনের বসতঘর নদীতে তলিয়ে যায় এবং মৃত. মোনাছেফ হাওলাদারের ঘরটিও ঝুকিপুর্ণ হয়। আবুল কালামের ঘরের ভেতরের কিছু মালামাল রক্ষা করতে পারলেও বসতঘরটি বিলীন হয়ে গেছে। মোনাছেফ হাওলাদারের ঘরে ৩পুত্র ও ১কন্যা সন্তান স্বপরিবারে বসবাস করতো। বিদ্যুৎ বিভাগ থেকে ওই ঘরের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। তীব্র ভাঙনে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা তলিয়ে গেছে।
বর্তমানে ঝুঁকিতে রয়েছে বাসস্ট্যান্ড, একটি বালির খোলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কয়েকটি বসতঘর। নদী তীরের বিশাল এলাকা ধরে নতুন ফাটল শুরু হয়েছে। যেকোন সময় ভাঙনে এসব স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা পেতে বুধবার বিকেলে মানববন্ধন করেছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও এলাকাবাসী।

সুগন্ধা নদীর ভাঙনকূল শহরের কৃষ্ণকাঠি গুরুধাম ব্রিজের পূর্ব ঢালে শতাধিক নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য প্রদান করেন ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহজাহান সিকদার, ওয়ার্ড কাউন্সিলর দুলাল হাওলাদার, মহিলা কাউন্সিলর তাসলিমা বেগম, সাবেক কাউন্সিলর আসাদুজ্জামান সেলিম, মজিবর রহমান খলিফা, লতিফা হেলেন,
জেলা যুবলীগ নেতা ইলিয়াস হোসেন খান,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন মিঠু,সহ এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

মানববনব্ধনের পূর্বে আকষ্মিক ভাঙনের খবর পেয়ে ভাঙনকবলিত স্থান পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী। এ সময় তিনি মুঠোফোনে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হাসানকে দ্রুত ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানান। এ সময় উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল হাই উপস্থিত ছিলেন।
এসময়ে তিনি জানান, পূর্ব-পশ্চিম দিকে বহমান সুগন্ধা নদীর ভাঙনে ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও কাজ করার জন্য ১২০মিটারসহ মোট ২২৯ মিটার জমিতে কাজ করা দ্রুত প্রয়োজন।

নির্বাহী প্রকৌশলীর বরাত দিয়ে তিনি জানান, এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শন করেন ঝালকাঠি জেলা আওয়ামী লীগের সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক এড.খান সাইফুল্লাহ পনির,

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.