সাবমেরিনটিতে থাকা ৫৩ জন নাবিকের বেঁচে থাকার কোনো চিন্হ পাওয়া যাচ্ছে না

৩৩

মো: মেহেদী হানান আশিক

বুধবার বালি দ্বীপের কাছে ৫৩ জন স্ক্রু সহ নিখোঁজ হয় সাবমেরিন ‘কেআরআই নাঙ্গালা-৪২০’।একটি টর্পেডো মহড়ায় অংশ নেওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছে সাবমেরিনটি।

সাবমেরিনটিতে যে অক্সিজেন মজুদ ছিল তা দিয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত চলা সম্ভব। সাবমেরিনটি ডুবে গেছে বলে ধারণা করছে ইন্দোনেশিয়ার সেনাবাহিনী। সমুদ্রের প্রায়সাড়ে ৮০০ মিটার গভীরে এটি রয়েছে। এত গভীরে নিরাপদ ভাবে উদ্ধার কাজ চালানো কোনভাবেই সম্ভব নয়। তবে যারা উদ্ধার কাজ পরিচালনা করছেন তারা সাংবাদিকদের সামনে কয়েকটি ধ্বংসাবশেষ টুকরা এনে হাজির করে।
ধারণা করা হচ্ছে এগুলো এগুলো নিখোঁজ সাবমেরিনটির।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন থেকে এ তথ্য জানা যায়। সাবমেরিনের এসব ধ্বংসাবশেষের মধ্যে ছিল লুব্রিক্যান্ট এর একটি বোতল টর্পেডোর সুরক্ষার একটি যন্ত্র। ইন্দোনেশিয়ার বিমান বাহিনীর কর্মকর্তা এয়ার মার্শাল হাদি তিজাহজানতো এ বিষয়টি জানান।
তার তথ্য মতে সাবমেরিরেনের খুব কাছেই এসব অংশ বিশেষ পাওয়া গেছে। নৌবাহিনীর প্রধান মারাগোনো বলেন,যথেষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়ায় বলা যায় নিখোঁজ সাবমেরিনটি ডুবে গিয়েছে।

সাবমেরিনটিতে থাকা ৫৩ জন নাবিকের বেঁচে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।
সাবমেরিনটিতে থাকা যে পরিমাণ অক্সিজেন মজুদ ছিল তা শনিবার সকাল পর্যন্ত চলার মত। কিন্তু সে সময় অতিক্রম হয়ে গেছে।

এখন ইন্দোনেশিয়ার ছয়টি যুদ্ধ জাহাজ,১টি হেলিকপ্টার ও ৪০০ শত’র বেশি ডুবরি সাবমেরিনটি অনুসন্ধানের কাজ যাচ্ছে।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.