রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি হস্তান্তর আজ

৫৬

রূপপুরে পারমাণবিক জ্বালানি হস্তান্তর আজ।

পাবনা জেলা প্রতিনিধি।

১৯১৫ সালে ইংরেজরা হার্ডিঞ্জ পব্রিজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে নতুন আলো দেখতে শুরু করে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর গ্রামের জনসাধারণ।
শতবর্ষ পরে এসে রূপপুর আর গ্রাম নেই। পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য সেখানে তৈরি হয়েছে বড় বড় ভবন। দেশি-বিদেশি নাগরিকদের পদচারণে নিভৃত গ্রামটি রূপ নিয়েছে ছোট্ট এক শহরে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি ‘ফ্রেশ নিউক্লিয়াস’ ফুয়েল বা ইউরেনিয়াম গত শুক্রবার প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। আজ বৃহস্পতিবার(০৫ অক্টোবর) আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের অনলাইনে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।
বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে চলছে চাষাবাদ। পেছনে দেখা যাচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কুলিং টাওয়ার। গতকাল বুধবার পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী এলাকায়
বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে চলছে চাষাবাদ। পেছনে দেখা যাচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কুলিং টাওয়ার। গতকাল বুধবার পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায়
এ উপলক্ষে রূপপুরে প্রকল্প এলাকায় এখন সাজ সাজ রব। প্রকল্পের আবাসিক এলাকা ‘গ্রিন সিটি’র সীমানা প্রাচীরে দৃষ্টিনন্দন গ্রাফিতি আঁকা হয়েছে। গ্রাফিতিতে রাশিয়ান ও বাংলাদেশিদের বন্ধুত্বে বদলে যাওয়া এক জনপদের গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। শোভা পাচ্ছে দেশীয় সংস্কৃতি, বাংলাদেশ-রাশিয়ার সম্পর্ক এবং বিভিন্ন শিক্ষণীয় বিষয়। আছে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ, রূপপুর প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, ভালোবাসার রূপপুর, ঐতিহ্যবাহী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ, লালন শাহ সেতু, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অর্জনসহ নানা অঙ্কন। ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলাদেশের ফুল, পাখি, সূর্য ও আবহমান বাংলার নানা সংস্কৃতি। দৃষ্টিনন্দন এই দেয়ালে নিজেকে ফ্রেমবন্দী করতে ছুটছেন অনেকে। অন্যদিকে প্রকল্প এলাকা সাজানো হয়েছে রাশিয়া-বাংলাদেশ দুই দেশের পতাকা ও বিভিন্ন ফেস্টুন-ব্যানারে। সব মিলিয়ে রূপপুরজুড়ে প্রকল্পে কর্মরত দেশি-বিদেশি শ্রমিক ও স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে।
জঙ্গলময় গ্রামটি এখন আলোঝলমলে রূপের শহর
সরোয়ার মোর্শে​দপাবনা।

শরতের শুভ্র কাশফুলের পেছনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আধুনিক বহুতল ভবন। যেখানে বসবাস করেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত দেশি-বিদেশি ব্যক্তিরা। গতকাল বুধবার পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী পেপার মিল এলাকায়
শরতের শুভ্র কাশফুলের পেছনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে আধুনিক বহুতল ভবন। যেখানে বসবাস করেন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে কর্মরত দেশি-বিদেশি ব্যক্তিরা। গতকাল বুধবার পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী পেপার মিল।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্রিটিশ আমলে পুরো এলাকা ছিল জঙ্গলময়। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ তৈরির মধ্য দিয়ে রূপপুর গ্রামটির পরিবর্তন শুরু করেছিল ব্রিটিশরা। দক্ষিণের সঙ্গে উত্তরের যোগাযোগ সৃষ্টি করতে তৈরি করেছিল রেললাইনসহ বিভিন্ন স্থাপনা। পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পকে কেন্দ্র করে ব্রিটিশদের গড়া গ্রামটি রুশদের (রাশিয়ান)। গতকাল বুধবার পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার
বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে চলছে চাষাবাদ। পেছনে দেখা যাচ্ছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কুলিং টাওয়ার। গ বাংলাদেশিদের বন্ধুত্বে বদলে যাওয়া এক জনপদের গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশ-রাশিয়ার সম্পর্ক এব
ব্রিটিশদের শহরে রুশদের দাপট
ব্রিটিশদের শহরে রুশদের দাপট
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মূল প্রকল্পটি হচ্ছে পদ্মা নদীর তীরঘেঁষা রূপপুর গ্রামে। প্রকল্পের আবাসিক এলাকা ‘গ্রিন সিটি’ নির্মাণ করা হয়েছে পার্শ্ববর্তী দিয়াড় সাহাপুর গ্রামে। সাত বছর আগেও দিয়াড় সাহাপুর গ্রামে কোনো উঁচু ভবন ছিল না। ব্রিটিশ আমলে পুরো রূপপুর জঙ্গলময় থাকার কারণে দিনের আলোয় মানুষ চলতে ভয় পেত। প্রথম ব্রিটিশরাই এলাকাটি পরিষ্কার করেছিল। এরপর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প দিনে দিনে রূপপুর গ্রামকে শহরে পরিণত করেছে। বদলে দিয়েছে গ্রামের দৃশ্যপট।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.