রামপালে ৪ শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

২৭

মোঃ ইকরামুল হক রাজিব, খুলনা :

বাগেরহাটের রামপালে ৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষক নিবন্ধনের জাল সনদ দিয়ে শিক্ষকতা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৪ জন শিক্ষকের মধ্যে ১ জনের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে। অন্যদের বিরুদ্ধেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। জাল নিবন্ধন সনদধারী শিক্ষকরা হলেন, পেড়িখালী পি.ইউ মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক তরিকুল ইসলাম, শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং ৩১১১০০৪২, ব্যাচ নং-৩ ও সেসন-২০০৭। মল্লিকেরবেড় ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার সহকারী মৌলবি করিমা খাতুন, শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং ১০৭১৬৮৪৯, ব্যাচ নং-৪ ও সেসন-২০০৮। সুন্দরবন মহিলা কলেজের কম্পিউটার অপারেশন বিভাগের প্রভাষক অসিত বিশ্বাস, শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং ৪২৭১৫২২৪, ব্যাচ নং-৬ ও সেসন-২০১০ ও জয়নগর পিপুলবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইসলাম বিভাগের সহশিক্ষক শাহানারা খাতুন, শিক্ষক নিবন্ধন ক্রমিক নং ১০৭১৭২১৮, ব্যাচ নং-৪ ও সেসন-২০০৮।

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত রামপালে ২৫৫ জন নিবন্ধনধারী শিক্ষকের সনদ যাচাই বাচাই করা হয়। এর মধ্যে ৪ জনের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়নি। এনটিআরসিএ এর সহকারী পরিচালক ফিরোজ আহমেদ স্বাক্ষরিত শিক্ষক নিবন্ধন যাচাই সংক্রান্ত একপত্রে মল্লিকেরবেড় ফাজিল (ডিগ্রী) মাদরাসার অধ্যক্ষকে জাল ও ভূয়া সনদধারী করিমা খাতুনের বিরুদ্ধে মামলা করে সংশ্লষ্টি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। পরে অধ্যক্ষ মাওলানা মো. মতিউর রহমান শেখ রামপাল থানায় কারিমা খাতুনের বিরুদ্ধে ১১/১০৪ নং একটি মামলা দায়ের করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন বলে সাংবাদিকদের জানান। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জিয়াউল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, জাল ও ভূয়া সদনধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সচেতন মহল জাল ও ভূয়া সনদধারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ আত্মসাতকৃত টাকা দ্রুত সরকারি কোষাগারে ফেরত নেওয়ার দাবি জানান।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.