যাত্রা শুরু করলো ভ্রমণকন্যার নতুন প্রজেক্ট ‘জেন্ডার ইক্যুইটি এন্ড এম্পাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম’

২০

ওমর ফারুক আহম্মদ, জেলা প্রতিনিধি :

ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ – ভ্রমণকন্যার অন্যতম প্রকল্প নারীর চোখে বাংলাদেশের বর্ধিত কার্যক্রম আজ ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখে (দুপুর ১২ঃ৩০ ঘটিকায়) “জেন্ডার ইক্যুইটি এন্ড এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম” শিরোনামে উদ্বোধন হয়েছে। এটি ভ্রমণকন্যার অন্যতম সামাজিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম প্রকল্প।

অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত হয়েছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি এম.পি, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। একইসাথে যুক্ত ছিলেন ৬৪ জেলার শিক্ষা অফিসারবৃন্দ ও ১৬ টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
আজ ঠিক বেলা ১২:৩০ মিনিটে ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশ-ভ্রমণকন্যার ফেসবুক পেইজ থেকে সরাসরি লাইভ সম্প্রচারিত হয় অনুষ্ঠানটি। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি আপার সম্মতিক্রমে জাতীয় সংগীত দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু করা হয় এবং তারপর পরিচিতি পর্বে উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, জেলা শিক্ষা অফিসারবৃন্দ, ভ্রমণকন্যার প্রতিষ্ঠাতাদ্বয়, উপদেষ্টা ও বিভাগীয় ভলান্টিয়ার প্রধানদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়।
এরপর প্রতিষ্ঠানটির যৌথ প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মানসী সাহা এবং ডাঃ সাকিয়া হক বিদ্যালয়ে কর্মসূচিতে যে সকল বিষয় বাচ্চাদের সাথে আলোচনা হবে তার মডিউল নিয়ে সকলের উদ্দেশ্যে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।
এরপর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্যার শুভেচ্ছা বাণী রাখেন।
তারপর মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দিপু মনি এম.পি তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে ট্রাভেলেটস অফ বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং শিক্ষা অধিদপ্তর, সকল জেলা শিক্ষা অফিসার ও প্রধান শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে ট্রাভেলেটস এর এই চমৎকার কার্যক্রমে সার্বিক সহায়তা করার জন্য বলেন।

প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম উপদেষ্টা জনাব জালাল আহমেদ তার শুভেচ্ছা বক্তব্য দেয়ার পর শুরু হয় প্রশ্নোত্তর পর্ব৷ প্রায় ২ ঘন্টার এই লাইভ প্রোগ্রামে সবার আন্তরিকতা ও প্রশংসনীয় কর্মযজ্ঞের খেতাব নিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির যৌথ প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মানসী সাহা এবং ডাঃ সাকিয়া হক জানান, “আজকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আমরা জেন্ডার ইক্যুইটি এন্ড এম্পাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম-এর কর্মসূচি শুরু করবো, তারপর করোনা পরবর্তীকালীন কার্যক্রমসমূহ বিদ্যালয় খোলার সাথে সাথেই শুরু করবো৷ এই প্রজেক্টের কার্যক্রমের মাধ্যমে ইতোমধ্যে বাংলাদেশের ২৩ হাজারেরও বেশি সংখ্যক স্কুলগামী মেয়েদের সাথে আমরা ওয়ার্কশপ করেছি। তাদের জানিয়েছি বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ, প্রজনন স্বাস্থ্য সুরক্ষা, আত্মরক্ষা কৌশল এবং খাদ্য-পুষ্টির মত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে। এবারের বর্ধিত কার্যক্রমে এই বিষয়গুলোর সাথে আমরা যুক্ত করেছি বাল্যবিবাহ, মাদক, সড়ক নিরাপত্তার মতো অতিব প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ”
প্রকল্পটি পাঁচ বছরব্যাপী কর্মসূচী পরিচালনা করবে যার আওতায় সারা দেশে প্রায় ৫০০ টি বিদ্যালয়ে ২,৫০,০০০ জন শিক্ষার্থীকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়সমূহে জানানো হবে।

ইতোমধ্যে সংগঠনটি যাত্রার শুরু থেকে সারাদেশব্যাপী ব্যাপক সাড়া ও প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়। কাজের স্বীকৃতি হিসাবে দেশে-বিদেশে বিশেষভাবে পুরষ্কৃত হয়৷ তন্মধ্যে অন্যতম “জয় বাংলা ইয়ুথ এওয়ার্ড ২০১৮” “Zafigo অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ (Malaysia)” “Youth Excellence Award 2019” “The Diana Award 2020” “ভোরের কাগজ নারী সম্মাননা অ্যাওয়ার্ড” “Zonta Centennial Recognition Award” “Acumen Fellowship Award 2021” ।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.