যশোরে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে গালিগালাজ ও কটুক্তির অভিযোগে আদালতে মামলা।

১২

আল- মামুন
বারোবাজার (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

যশোরে এক বীরমুক্তিযোদ্ধাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ কটুক্তি ও তাকে মারপিট , জীবন নাশের হুমকির ঘটনায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যশোর সদরের আমলী আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি আমলে নিয়ে আদালত পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়ে প্রতিবেদন পাঠানোর জন্য আদেশ দিয়েছে ।

যশোর উপশহরের ই ব্লকের ৫০ নম্বর বাড়ির মালিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম (৭৯) আদালতে তার মামলায় বলেছেন, গত ১১ মে বিকালে আমার বন্ধু বীর মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার নওশের আলী (৭১) অসুস্থ থাকায় তাকে ডাক্তার দেখানোর জন্য মোটরসাইকেল যোগে রওনা হন। উপশহর ডি ব্লকের বাজারের সরকারি ১০ তল কোয়ার্টারের দক্ষিণপাশে পাকা রাস্তার ওপর পৌছুলে দেখেন উপশহরের সেক্টর নং ৬, মনু মিয়া সাইকেল মিস্ত্রির ছেলে আছাদুজ্জামান নান্নু (৫০)সহ অজ্ঞাত পরিচয়ে আরো কয়েকজন রাস্তার ওপর ট্রাক রেখে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে জনসাধারণ চলাচল বন্ধ কর হাওয়া মেশিন আনলোড করতে থাকে। আনলোড করার শেষ পর্যায়ে লোকজন যাতায়াত শুরু করলে তিনি নান্নুর নিকট সাইড চাইলে তারা বাধা প্রদানসহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও জীবননাশের হুমকি প্রদান ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটুক্তি মন্তব্য ও উপহাস করেন। এসব গালি গালাজ করে প্রকাশ্যে অপমান অপদস্থ এবং সম্মানহানি করে। এক পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধাদের মা বোন তুলে মারপিট করার উদ্যত্ত হন। এসময় মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যেতে চাইলে নান্নুর লোকজন মোটরসাইকেলটি ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ করে। স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তাদের মারপিট করার হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে উপশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এহসানুল হক লিটু ইউপি সদস্য জহিরকে জানালে তারা আইনের সহায়তা নেয়ার পরামর্শ দেন। এরপর ১২ জুন যশোর আদালতে মামলা করা হয়। আদালত মামলাটি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছে। এদিকে আদালতের আদেশ পিবিআই সঠিক ভাবে পালনের জন্য মামলার বাদী বীর মুক্তিযোদ্ধা আমিরুল ইসলাম পুলিশ সুপারের সাথে স্বাক্ষাত করেছেন। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করার অভিযোগে যশোর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের জেলা কমান্ডারের নিকট অভিযোগ করেছেন

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.