মোহনগঞ্জের আদর্শনগরে শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের উদ্বোধন

৪৯

ওমর ফারুক আহম্মদ, জেলা প্রতিনিধি, নেএকোণা

নেত্রকোণা মোহনগঞ্জ উপজেলা মোহনগঞ্জের আদর্শনগরে শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক “আখলাকুল হোসাইন আহমেদ স্মৃতি গ্রন্হাগার” উদ্বোধনী অনুষ্টানে ভার্চুয়ালি দেয়া প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন।সাজ্জাদুল হাসান বলেন, বাবা আখলাকুল হোসাইন আহমেদদের স্বপ্ন ছিল এলাকায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা। তিনি তা করে যেতে পারেননি। তাই আমি এলাকার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মোহনগঞ্জ উপজেলার আদর্শনগরে সরকারি সহায়তায় ‘শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়’স্থাপন করেছি।

কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেছেন, ইন্টারনেটের অবাধ বিস্তার আছে বলেই লাইব্রেরির আবেদন শেষ হয়ে যাবে না। বর্তমানে ইন্টারনেটের সঙ্গে অনেকেই যুক্ত। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম ইন্টারনেটের মাধ্যমে আরো বেশি কাজ করছেন। আমি নিজেও ইন্টারেনেটের সুবিধাভোগী।নির্মলেন্দু গুণ বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোতেও প্রতিনিয়ত বই প্রকাশ, বিপণন ও সংরক্ষণ হচ্ছে। তাই ইন্টারনেটের ব্যবহার কিছুটা কমিয়ে লাইব্রেরিমুখী হতে হবে। ইন্টারনেটকে চ্যালেঞ্জ করেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। মানুষের কাছে বই পৌঁছানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু শিক্ষার্থী নয়, শিক্ষকদেরও লাইব্রেরিমুখী হওয়া দরকার। শিক্ষকরা লাইব্রেরিতে গেলে শিক্ষার্থীরা উৎসাহী হয়।

মহাবিদ্যালয়টির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জেলা প্রশাসক কাজি আব্দুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফর হাসান, কবি কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোস্তাফিজুর রহমান, শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও বিমান বাংলাদেশ পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসান, ইসলামী ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড.মুশফিকুর রহমান, উপসচিব ড. তরুন কান্তি সিকদার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান প্রশান্ত রায়, শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ে অধ্যক্ষ জীবন কৃষ্ণ সরকারসহ অন্যরা।অধ্যক্ষ জীবন কৃষ্ণ সরকার জানান, লাইব্রেরিটিতে পাঁচ হাজার বই রাখার ব্যবস্থা আছে। বর্তমানে বিষয় ভিত্তিক ১২০০ বই আছে। একজন লাইব্রেরিয়ান একটি সফটওয়্যার দিয়ে লাইব্রেরির পুরো কার্যক্রম করতে পারে সেই ডিজিটাল ব্যবস্থা করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু কর্নারসহ বিষয়ভিত্তিক কর্নার থেকে বই সংগ্রহ করে সুসজ্জিত পরিবেশে বই পড়ার সুযোগ রয়েছে।২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব থাকাকালীন সময়ে এলাকাবাসিকে নিয়ে হাওরাঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে ডিঙ্গাপোতা হাওরপাড়ে এই মহাবিদ্যালয়টি স্থাপন করেন সাজ্জাদুল হাসান। বর্তমানে আবাসিক শিক্ষালয়টিতে ৬১৭জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ণ করছেন।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.