মেঘনার তীরে মনোরম পর্যটন কেন্দ্র

৩১

মো: মাইন উদ্দিন চৌধুরী,বিশেষ প্রতিনিধি,চাঁদপুর:

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে মেঘনার তীর ঘেঁষে গড়ে উঠেছে মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্র। দূরদূরান্ত থেকে নদী ও স্থলযোগে পর্যটকরা এখানে এসে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উপভোগ করছেন নদী পাড়ের অপরূপ দৃশ‌্য। সরজমিনে পর্যটন কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, এখানে চলতি অক্টোবর মাস হতে ২০টির মতো বিচ বেড বসানো হয়েছে। আরও রয়েছে খোলা মাঠ, বালু প্রান্তর, ভ্রাম্যমাণ চটপটি-ফুচকা, আচার, চকলেট, চা ও মুড়ি বিক্রেতার হরেক রকমের ছোট ছোট দোকান। এসব দোকান সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে থাকে। সন্ধ‌্যার পর এখানে আলোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। এছাড়া এখানে অবকাঠামো নির্মাণসহ সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ চলছে।

মোহনপুর ইউনিয়নের ১ নং ইউপি সদস্য বিল্লাল তপাদার দৈনিক সাহসী কন্ঠকে জানান, মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্রের অবকাঠামোগত কাজ চলছে। এর মধ্যে রাস্তা, বনায়ন, থিম পার্ক (হুইল, প্রাস ট্রেন, হর্স), সেন্ট্রাল এসিযুক্ত রেস্টুরেন্ট করা হচ্ছে। যেখানে ৫ শত লোক একসঙ্গে বসে বুফে এবং বারবিকিউ আইটেমের খাবার খেতে পারবেন।

মোহনপুর পর্যটন কেন্দ্রের ম্যানেজার কাজী জাকির দৈনিক সাহসী কন্ঠকে জানান, ওয়েল ইকুয়েভমেন্টের মাধ্যমে ৫টি পাঁচ তারকা কটেজ, ফুডকোর্ড, বার্মিজ, ঝিনুক এবং ফাস্টফুড আইটেমসহ মোট দেড়শ দোকানসহ মার্কেট, ২শ বেডরুমসহ তিন তারকা আবাসিক হোটেল, মিনি চিড়িয়াখানা ও ৩টি বিচ নির্মাণাধীন রয়েছে। এগুলো সব হয়ে গেলে এটি দেশের অন্যময় পর্যটন কেন্দ্র হবে। তখন হয়তো এখানে ঢুকতে গেলে ১০ বা ২০ টাকার মতো ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

কুয়াকাটার মতো এখানেও সূর্যদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায়। বিকেলে মনোরম পরিবেশে নদীর কিনারায় হাঁটতে বেশ ভালো লাগে। পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে সময় উপভোগ করা যায়। তাই দূর দূরান্ত থেকে পর্যটকদের সঙ্গে ঘুরতে আসছে অনেকে। দুপুরে এখানে এসে নদীতে গোসল করা অনেক উপভোগের। তবে কিছুটা নিরাপত্তাহীনতা বোধ আছে। কেননা এখানে টয়লেট বা ড্রেস চেঞ্জ করার মতো তেমন ভালো কোনো ব্যবস্থা এখনো করা হয়নি।’

এ ব্যপারে মোহনপুর পর্যটনকেন্দ্রের স্বপ্নদ্রষ্টা কাজী মিজানুর রহমান দৈনিক সাহসী কন্ঠকে জানান জানান, এখানে দ্রুত আর্মির একজন সাবেক মেজরের মাধ্যমে ১শ সিকিউরিটি সার্ভিস গড়ে তোলা হবে। এরসঙ্গে নদীতে নানা রকমের রাইডের ব্যবস্থা, পাবলিক টয়লেট, ড্রেস চেঞ্জের ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিং ইয়ার্ড, সেলফি জোনের ব্যবস্থা করা হবে। আগামী ৩১শে ডিসেম্বর সন্ধ্যায় টানা ৩ ঘণ্টা আতশ বাজীর মাধ্যমে এটি উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। তাই দ্রুতগতিতে সব কাজ চলছে।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.