মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের নামে চাঁদাবাজি ও প্রতারণা!

এইচ এ শরীফ:

একাধারে তিনি মানবাধিকার সংস্থার সভাপতি, সাংবাদিক ও নিরাপদ সড়ক চাই কর্মী। এসব সাইনবোর্ড ব্যবহার করে অভিনব কায়দায় সাধারণ মানুষের সাথে করে চলেছেন প্রতারনা ও চাঁদাবাজি।
বলছিলাম ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার দৌলতখান রাস্তার মাথার ৩ নং ওয়ার্ডে আমিনুল ইসলামের কথা।

সরেজমিনে জানা যায়, আমিনুল দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন কাটানোর পরে সেখানে কিছু করতে না পারায় ফিরেন দেশে। করেন একাধিক বিয়ে।

কোন ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও অভিনব কায়দায় তিনি টাকা দিয়ে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান ও বাস্তবায়ন সংস্থার একটি শাখা খুলেন বোরহানউদ্দিনের দৌলতখান রাস্তার মাথায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সংস্থাটি ব্যবহার করে তিনি শালিসের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানিমূলক মামলা ও প্রচুর অর্থ হাতিয়ে নেন। তাছাড়া তিনি অর্থের মাধ্যমে স্থানীয় অনেক লোককে এ সংস্থার কর্মী হিসেবে নিয়োগ দেন। যাদের নেই কোন শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ।

এখানেই শেষ নয় তার বাটপারি ও প্রতারণা! সংস্থাটির নামে খুলে বসেছেন একটি পত্রিকাও! সেখানেও অর্থের মাধ্যমে করেছেন সাংবাদিক পরিচয় পত্র দেয়ার নামে কার্ড বাণিজ্য।

এদিকে গতকাল বিকেলে ভুক্তভোগীরা ও সাধারণ মানুষ আমিনুলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেন।

ভুক্তভোগিরা জানান, আমিনুল দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানের নামে সংস্থা খুলে সেবার নামে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে, এমন অসংখ্য অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। এমনকি এই সাইনবোর্ডের আড়ালে জ্বীন ও খনকারী করে মানুষের সাথে বড় ধরনের প্রতারণা করে। কথায় কথায় হয়রানিমূলক মামলা দেয়!

এ বিষয়ে পক্ষিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন সর্দার জানান, বিষয়টি আমি পূর্ব থেকেই অবগত আছি। প্রয়োজনে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.