ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে জেলা আইনজীবী সমিতির ভোটগ্রহন

২৯

রাসেল আদিত্য, নারায়ণগঞ্জ :

গতবারের নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পূর্ণ প্যানেল জিতলেও সেই নির্বাচন ছিলো বিতর্কিত।অভিযোগ আছে ঐ নির্বাচনে বাইরে থেকে বাক্স ভরে আনা হয়েছিল।
সেই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনের
দায়িত্ব পালন করা এডভোকেট শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া এবারও প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্বে।যিনি একাধারে সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহবায়ক হিসেবে আছেন।
এনিয়ে আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ থাকলেও তাঁরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এই নির্বাচন নিয়ে প্রতিবারই ব্যাপক মাতামাতি হলেও এবার সিটি নির্বাচনের
কারণে অনেকটা নিরবেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে
ভোট।এবারের নির্বাচনে তিনটি প্যানেল
অংশ নিচ্ছে।তাঁরা হলো,আওয়ামীপন্থী হাসান ফেরদৌস জুয়েল -রবিউল আমিন রনী পরিষদ,বিএনপিপন্থি মনিরুল ইসলাম চৌধুরী -এইচ,এম আনোয়ার প্রধান পরিষদ ও আনোয়ার হোসেন -জসিমউদদীন আহমেদ পরিষদ। আনোয়ার হোসেন -জসিমউদদীন পরিষদ আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী প্যানেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।তাঁরা মোট ছয়টি পদে প্রার্থী দিয়েছে।
গতকাল আইনজীবী সমিতি ভবনের নোটিশ বোর্ডে শামসুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত দুটো জরুরী নোটিশ দেখা যায়।একটিতে লেখা আছে ভোটের দিন
কেন্দ্রে কোন সাংবাদিক, টিভি ও প্রিন্ট মিডিয়ার কর্মী,যেকোনো এজেন্সির কোন লোক প্রবেশ করতে পারবেনা।
এনিয়ে সাংবাদিকদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এই কমিশন প্রধান বিতর্কিত জেনেও কেনো ভোটে অংশ নিচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে জসিমউদদীন আহমেদ বলেন, শুধু সিলেকশন ঠেকাতে ইলেকশনে দাঁড়িয়েছি।এইচ এম আনোয়ার প্রধান বলেন,এবার কোন প্রকার কারচুপির চেষ্টা করা হলে দাঁতভাঙা জবাব দেবার প্রস্তুতী নিয়েই ভোটের মাঠে নেমেছি।
আসলে ২০১৩ সালের পর থেকে বিএনপিপন্থি প্যানেল জয়ী হতে পারেনি।এবার আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী
থাকায় তাঁরা ভেবেই নিয়েছেন ভোটে জয়ী হতে চলেছেন তাঁরা।
এবারের নির্বাচনে মোট ১০৩৮জন ভোটার সকাল নয়টা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত ১০টি বুথে তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। গননা শেষে আজই ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.