বিজয়ের হাসি – পর্ব-৯

লেখক,জহিরুল ইসলামঃ বাহ্যিকভাবে মানুষ এতটাই দুর্বল হতে পারেন যে,একটি মশার কামড়েও তিনি নেচে উঠেন।কিন্তু সেই মানুষটার অন্তরে যখন বিজয়ের নেশায় খাঁটি প্রেমের তাজাল্লী জ্বলে উঠে,তখন এই আসমান-জমিনে এমন কোন পারমানবিক অস্ত্র বা ধ্বঃসাত্মক কোন বস্তু নেই যা তাকে ধমিয়ে রাখতে পারে।অদৃশ্য এক অনুপ্রেরণা তার হ্নদয়কে প্রশস্ত করে,সুবিশাল এক অন্তর-জগতে পরিণত করে।তখন তিনি সুসজ্জিত আসন ছেড়ে জাতি-গোষ্ঠীর সেবায় নিজেকে নিবেদিত করেন।সহস্র চিন্তা-পেরেশানি আর অসংখ্য কাঁটার আঘাতে অস্থির ও অশান্তিগ্রস্ত হওয়ার পরও তিনি হাসতে থাকেন।কিন্তু চতুর্দিকে ফুলে-ফুলে সুশোভিত আর সুসজ্জিত আসনে বসেও, বাতিল আর বিপদগ্রস্তরা পরাজয়ের লজ্জানুতাপে শির-অবনত করে কাঁদিতে থাকেন।

১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তানীদের সুসজ্জিত বাংলার বাগানকে ধ্বংস্তুপে পরিণত করার জন্য পশ্চিম পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠীরা ধ্বংস খেলায় মেতে উঠেছিল।কিন্তু বাঙালীদের বিজয়ের নেশার গভীরতা পরিমাপ করতে পশ্চিম পাকিস্তানের শাসকরা ব্যর্থ হয়েছিল।

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে সেই দাম্ভিক শাসক-গোষ্ঠীরা শির নত করে,পরাজয় মেনে নিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছিল।সেইদিন পুরো পৃথিবী অবাক হয়ে বাঙালীদের অনুপ্রেরণাকে স্বাগত জানিয়েছিল।

আজ ২১ ডিসেম্বর নাটোর শত্রু মুক্ত দিবস।বিজয়ের আনন্দে স্বাধীনতাকে বরণ করে নিতে বিজয়ের পাঁচদিন পর অর্থাৎ ২১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত নাটোরবাসীকে অপেক্ষা করতে হয়েছিল।অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ২১শে ডিসেম্বর তৎকালীন গভর্নর হাউস তথা বর্তমান উত্তরা গণভবনে হাজারো মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনীর উপস্থিতিতে উত্তোলন করা হয়,স্বাধীন দেশের লাল সবুজের পতাকা

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.