বগুড়ায় হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত ২জনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী |

৬১

মনিরা জাহান খান
সদর উপজেলা প্রতিনিধিঃ
গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ইং  বগুড়ার চকপাড়া গ্রামের তবিবর রহমানের পুত্র  শাহিদুল ইসলাম (৫০) এর হত্যার সাথে জড়িত আসামিদের  সোনাতলা ও গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ৪ জনকে আটক করে কোর্টে প্রেরণ করলে তাদের  মধ্য ২জন ১৬৪ ধারায় কোর্টে স্বীকারক্তিমূলক জবান বন্দি দেয়। তাদের দেওয়া বক্তব্যে স্বীকার করেন যে তারা সরাসরি শহিদুল হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত ছিল। আটক কৃতরা হলো সুলতান মাহমুদের (১)স্ত্রী লিপি আক্তার(৩৫),  সাং হিজলী, একই গ্রামের আবু হানিফের পুত্র (২) সহিদ হাসান (২০), ও মৃত তছিম উদ্দিনের পুত্র  এ হত্যাকান্ডের মূল পরিকল্পনাকারী(৩) আব্দুল জলিল, (৭৩), সর্ব উপজেলা গাবতলী।  শিবগঞ্জের মাছপাড়া গ্রামেরর শমশের আলীর পুত্র (৪) আমজাদ হোসেন (৬০) সকলের জেলা বগুড়া। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফের নির্দেশনায় ও মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আশিক ইকবালের সার্বিক তত্তাবধানে ফাঁড়ির এস আই রিপন মিয়া এ এসআই শরিফুল ইমলাম  পুলিশ ফোর্স নিয়ে রিপোর্টে উল্লেখিত ১নং ও ২নং আসামীদেরকে সোনাতলা থানার পুলিশ সদস্যদের সহযোগীতায় কামার পাড়ার   আসামিদের আত্মীয়র বাড়ী থেকে  ৩নং ও ৪ নং আসামীদেরকে  রাতভর অভিযান চালিয়ে আটক করতে সক্ষম হন চৌকস পুলিশ সদস্যরা। শিবগঞ্জ থানার মামলা নং ৬৮জিআর তাং ৩১/৮/২৩  ইং, ৩০২ ও ৩০৪ ধারায় আটক দেখিয়ে কোর্টে প্রেরণ করা হয়। উল্লেখ্য যে, গত ৩১ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকালে মালাহার-শিবগঞ্জ সংযোগ মহা সড়কের দক্ষিণ  পার্শ্বে মাঝপাড়া কলাবাগান থেকে কৃষক শহিদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত কৃষক শহিদুল চকপাড়া গ্রামের তবিবর রহমান এর পুত্র।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সে সময় স্থানীয় লোকজন  মাঝপাড়া কলা বাগানের ভিতরে  মরদেহ দেখতে পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং  মরদেহ  উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করে। সে সময় ঘটনাস্থল থেকে  একটি মোবাইল ও ধারালো চাকু উদ্ধার করেছিল পুলিশ । এ ঘটনায় এলাকাবাসী ৩ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ্দ করে। তারা হলেন, শ্বশুর  মোতালেব মিয়া ওরফে মোতো (৬০), তহুরা বেগম (৩৫) ও সুলতান মিয়া (৪২)।
এ বিষয়ে মোকামতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের  ইনচার্জ আশিক ইকবাল  বলেন, জনগণ ৩জনকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ্দ করেছিল কারন জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে এ হত্যাকান্ড সংগঠিত  হয়েছিল বলে একাধিক সুত্র জানান তারা।
শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফ জানান বলেন, হাত পা বাঁধা অবস্থায় কলাবাগান থেকে  সহিদুলের  লাশ উদ্ধার করা হয়েছিল।  সহিদুলের বোন তাছলিমা আক্তার সাধনা(৩২)  গত ৩১আগষ্ট বগুড়ার শিবগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করলে পুলিশ আসামীদেরকে ধরতে   সক্ষম হয়। এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার অপরাধে অদ্য (২০/৯/২৩ ইং তাং) লিপি ও সহিদ হাসান কোর্টে স্বীকার উক্তি মূলক জবান বন্দি দেয়।     এইহত্যা কান্ডের সাথে আরও যারা জড়িত সবাইকে আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে বল্লেন শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রউফ ও মোকামতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ আশিক ইকবাল । ন এ হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত  সবাইকে আটক করে  ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্য দন্ড দেওয়া হোক, তাহলে আমাদের সন্তানের আত্মা শান্তুি পাবে বল্লেন নিহতের পরিবারের সদস্য বৃন্দ।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.