ফেসবুকের পোস্ট দেখে অসহায় মান্নাফের জন্য এগিয়ে এলেন সমাজকর্মী সবির হোসেন

২২

স্টাফ রিপোর্টারঃ গত ১৪/১/২১ তারিখে রাজাপুর উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মুঃ আল আমিন বাকলাই অসহায় রহিমার করুন দশার বর্ননা দিয়ে একটি পোস্ট দেয় তার নিজস্ব ফেসবুক ওয়ালে। এর কিছুক্ষন পরেই মানবিক সংগঠন স্বপ্নপূরণ সমাজকল্যাণ সংস্থা র সভাপতি এইচ এম রিয়াজ খান-প্রধানমন্ত্রীর দেয়া টিন যায় কই? শিরোনাম দিয়ে রহিমা-মান্নাফের জিবনের করুন চিত্র তুলে ধরেন এবং সে পোস্ট অনুযায়ী কয়েকটি অনলাইন পোর্টালে নিউজ করেন।

ফেসবুকে পোস্ট দেখেই ঝালকাঠির সমাজকর্মী বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ ছবির হোসেনের মানবিক অন্তর কেদে ওঠেন তিনি সাথে সাথে আল আমিন বাকলাই ও বিয়াজ খানের সাথে যোগাযোগ করেন।

রহিমা বেগম-আব্দুল মান্নাফ দম্পত্তি জীর্ণ ভাঙা খুপড়ি ঘর সাড়াতে,রহিমার বাড়িতে ঢেউ টিন, চাল-ডাল কম্বল ও নগদ অর্থ নিয়ে ছুটে গেছেন ঝালকাঠির তরুন ব্যবসায়ী সমাজসেবক ছবির হোসেন।

শনিবার দুপুরে বিদ্যুৎচালিত অটোরিকশা যোগে ঢেউ টিন, ১ বস্তা চাল, ডাল, আলু, তেল ও কম্বল এবং নগদ অর্থ নিয়ে ওই বাড়িতে হাজির হন। এ সময় সাংবাদিক পলাশ রায়, রাজাপুর সাংবাদিক ক্লাবের সভাপতি রহিম রেজা ও সাংবাদিক আতিকুর রহমানসহ সুধীজন উপস্থিত ছিলেন।

বৃদ্ধা রহিমা বেগম জানান, তিনি অন্যের বাড়িতে ও রাস্তার পাশে মাটি দেয়ার কাজ করাসহ যখন যে কাজ পায় তাই করে দু’বেলা দু’মুঠো খাবার জোগার করতেই কষ্ট হচ্ছিল। অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা এবং ওষুধ খরচ মেটানো অনেক কষ্টসাধ্য বিষয় হওয়ায় ৩ বছর ধরে ঘরের অবস্থা একদম বেহাল হয়ে গেছিলো। ছবির হোসেনের এ সহযোগীতায় নতুন করে আবার ঘর মেরামত করে বসবাস করতে পারবেন। তিনি ছবির হোসেনের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন এবং তার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।

ঝালকাঠি শহরের তরুন ব্যবসায়ী সমাজসেবক ছবির হোসেন জানান, রহিমা বেগমের কষ্টের জীবনযাপনের এমন চিত্র নিয়ে মুঃ আল আমিন বাকলাই ও ছোট ভাই রিয়াজের ফেসবুকের পোস্ট দেখে মনটা ভীষন খারাপ হয়ে গেল, তাই নিজ অর্থায়নে ২ বান্ডিল ঢেউ টিন, ১ বস্তা চাল, ডাল, আলু, তেল ও কম্বল এবং নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগীতা করেছি। এটা আমার দায়িত্ব। মানুষকে কিছু দিতে পারলে আমি পরিতৃপ্তি পাই। সকলের উচিত সমাজের অসহায় ব্যক্তিদের পাশে দাড়ানো।

স্বপ্নপূরণ সমাজকল্যাণ সংস্থার সভাপতি এইচ এম রিয়াজ খান জানান মোঃ ছবির হোসেন একজন মানবতার ফেরিওয়ালা আর্ত- মানবতা ও সামাজিক উন্নয়নে বিশেষ অবদানের জন্য তাকে আমাদের সংগঠন ইতি মধ্যে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেছে। করোনাকালিন ছবির হোসেন ১১শ করোনার কীট কিনে হাসপাতালে দান করা। অসহায় সবিতা রাণীকে জুতার দোকান দিয়ে দেয়া, সবজির দোকান ও ভ্যান দেয়াসহ করোনায় খাদ্য সহায়তা ও বিভিন্ন অসহায় দরিদ্র ব্যক্তি ও পরিবারকে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা করে আসছেন,আর এসব গুনের কারনেই তিনি স্বপ্নপূরণের সম্মাননা স্মারক অর্জন করেন।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.