ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত মিন্নীর সাথে একদিন,অনুসন্ধানে অতঃপর

১৪০

এবি মামুন, নয়ন সিকদার এর সহযোগিতায়,  শৈবাল মমিন সাহসী কন্ঠ  ডেস্ক রিপোর্ট :

সত্য ঘটনা অবলম্বনে আন্তরিক দৈনিক সাহসী কন্ঠ পড়ুন, পাশে থাকুন কেউ কপি করবেন না দয়া করে,বিস্তারিত…

আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার  ১ নম্বর সাক্ষী পড়ে রিফাতের বাবার করা মামলায়  অভিযুক্ত  ফাঁসির আসামী মিন্নী কে নিয়ে জানার আগ্রহ ছিল অনেক দিনের।
যখন শুনলাম মিন্নী কে কাশিমপুর আনা হয়েছে অপরাধ সাংবাদিক আমি  শৈবাল মমিন কিছু মানুষের  সহযোগিতায় মিন্নীর কাছে যেতে চেষ্টা করি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মিন্নীর  সেলে দায়িত্বরত মহিলা জেল পুলিশের  সহায়তায় বাস্তব ঘটনা তুলে আনতে সক্ষম হয়েছি যার বিস্তারিত… মিন্নীর মুুুখেই শুুুনন….

সুন্দরী শারীরিক গঠন,মিষ্টি হাসির  মিন্নী স্কুলের গন্ডি পেড়িয়ে কলেজে গেলে প্রথম দিন ই দেখা হয়ে যায় কথিত নয়ন বন্ডের গ্রুপের সক্রিয় কিছু সদস্যদের সাথে।

তারা নিয়মিত প্রেম নিবেদন করতে থাকে, কয়েক দিনের মধ্যে ভন্ড গ্রুপের প্রথম সারির লিডার নয়ন বন্ডের সাথে দেখা পরিচয়, কলজের সীমানা প্রাচীর ঘেঁষা বাড়ি তাই তার হাতেই ছিল কলেজের নেতৃত্ব  দমন পিড়নঁ।

সকল সময় আমার পাশে লেগেই ছিল, কিছু দিনের মধ্যে দেখলাম কেউ আর ডিস্টার্ব করেনা।

কলেজে আমি ভি আই পি মর্যাদার অধিকারি হয়ে গেলাম প্রথমে খারাপ লাগলে ও পড়ে ইনজয় করতে শুরু করলাম, একসাথে ঘুড়ে ঘুড়ে নয়নের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ি ওকে না করতে পাড়ছিলাম না।
বন্ধুতই সীমাবদ্ধ ছিলাম, জন্মদিন,রেক ডে, হইচই,গান এগুলোর মধ্যে ছিল জীবন, মাঝে সংগী হলো ইয়াবা

হঠাৎ বুঝতে পাড়লাম আমার প্রতি নয়নের ভাললাগা বাড়তে থাকে। ওর মাও জানত আমাকে।

সবকিছু অবাধ্য ছিল পরিবারে।প্রতিনিয়ত বুঝতে পারছি ও ভয়ংকর ড্রাগ এ আক্রান্ত,নিয়মিত জীবনের মানুষ নয় নয়ন।

সিনিয়র দের মিছিল মিটিং পিকেটিং করতে ই তার সময় কাটে, ঘুমিয়ে কাটায় ১২ টা পর্যন্ত , বাকী সময়  আমার জন্য উতলা,ভীতিকর  হওয়ার প্রভাব, সে অনেক কথা…  যা এখন বলা কষ্ট কর

আমি বুঝে উঠতে পারেনি কি করব আমার জন্য অনেক ছেলেকে সে বরগুনা ছাড়া করছে,তার পর ও তাকে ভালোবাসি  ভালো হতে সুযোগ দেই, একদিন  আমাকে নিয়ে যায় অনেক দুর বিয়ে করে কাজী ডেকে।

স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে থাকি এবং অনুশোচনার মধ্যে রাত দিন।

বিষয়টি তেমন কেউই মাএ কয়েক জন জানে
দিন যায় নয়নের পাগলামি বাড়তে থাকে এলোমেলো হয়ে যাই, সময় ওকে দিতেই হবে….

বিষন্নতা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে কথা গুলো বললো মিন্নী…

পড়ে রিফাত এর ছবি দেখি পারিবারিক ভাবে ভালোলাগা তৈরি হয় পারিবারিক বিয়ে হয়।

নয়ন কে ম্যানেজ করে সংসার জীবন চালাতে থাকি।
নয়ন বন্ডের আবদার বাড়তে থাকে দিন দিন কিছুই বুঝে উঠতে পারেনি আমি।

আমি এলোমেলো ছিলাম অনেক দিন,
০২ জন কেই ম্যানেজ করে চলতে হত দিনের পর দিন।
রিফাত  বিষয়টি জেনে ফেলে, আমাকে একা ছাড়ে না রিফাত।
এটাই কাল হয়ে দাড়ায় ওর জীবনে, আমি জানতাম না বন্ড ওকে মেরে ফেলবে  আমি দোষী হা তবে বাস্তবতার শিকার।

মরাতে চাইনি ওকে, ওদের বাঁচাতে চেয়েছি।
অনেক কথা আছে আপু মেয়ে হয়ে বাঁচা  কঠিন আমাদের দেশে।

রাজনৈতিক নেতাদের জন্য নয়ন বন্ড হল, রিফাত খুন হল, আমি অপরাধী এিভুজ ভাললাগা কি করার ছিল বলুন।
দৈনিক সাহসী কন্ঠে প্রচার হবে শুনে বললো মিডিয়া আমার জীবনের অংশ মলিন বিষন্ন ভগ্নহৃদয় আমার।
মাদক থেকে সবাই যেন দুরে থাকে, ছাএ রাজনৈতিক থেকে মুক্তি পাক ক্যাম্পাসের সাধারণ মেয়েরা।
যা হবার হোক স্বাভাবিক জীবন যাপন আর হলো না আমার আপু….. কান্না করতে থাকে।
একাকার হয়ে গেছে জীবন চিরকাল থাকবে একাই মরুর মাঝে উঠের পাহাড়, জানি না কি হবে  শুনছি সাঁজা কমবে আমি চাইনা।
রিফাত ভালো থাকবে, আমি বাচাঁনোর জন্য চেষ্টা করেছি তবে বুঝতে পারিনি ওরা সবাই এমন করবে মেরে ফেলবে।

বন্ড থেকে মুক্তি চাই, নয়ন কে যারা বন্ড করেছে তাদের বিচার চাই। মাদক  চাইনা আমরা ।।।।।।।।।।।।।।।।।।।।

দৈনিক  সাহসী কন্ঠ , ২৪ ঘন্টা সত্যের সন্ধানে

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.