প্রয়োজনে আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাব: ট্রাম্প

১৭

স্কাই অনলাইন ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে সময় যত যাচ্ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা ততই বাড়ছে। ভোট গণনা শুরুতে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পিছিয়ে থাকলেও সময় যতো ঘনাচ্ছে ততোই তার প্রতিপক্ষ ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেনের সঙ্গে লড়াই জমে উঠছে।

এরই মধ্যে হোয়াইট হাউজ থেকে ভাষণ দিয়ে ট্রাম্প জয়ের ব্যাপারে আশাবাদ জানিয়ে বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনে জিতে গেছি। ওরা আমাকে ধরতেই পারবে না। আমরা পেনসিলভানিয়ায়ও বড় ব্যবধানে জিততে যাচ্ছি। আমাকে হারানো তাদের পক্ষে অসম্ভব। উইসকনসিনও আমরা জয় করতে যাচ্ছি।

ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমাদের লাখো ভোটারকে বঞ্চিত করার চেষ্টা হচ্ছে। লাখ লাখ মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে। কিন্তু একদল হাতাশাগ্রস্ত মানুষ আমাদের ভোটারদের বঞ্চিত করার চেষ্টা করছে।’

জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুললেও সুনির্দিষ্ট কোনো ঘটনা উল্লেখ করতে পারেননি ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রে এখন মূলত পোস্টাল ব্যালট গণনা চলছে। এই নির্বাচনে রেকর্ড ১০ কোটি ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। এতেই নির্ধারিত হতে পারে ইলেক্টোরাল কলেজে ভোটের পাল্লা কার ভারি হবে। ধারণা করা হচ্ছে পোস্টাল ব্যালটে বাইডেন অনেকটা এগিয়ে থাকবেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘নির্বাচনের পরে কোনো ধরনের মেইল ভোট কাস্ট করার সুযোগ নেই। সেটা বন্ধে প্রয়োজনে আমরা সুপ্রিম কোর্টে যাব।’

গণনার শেষ পর্যায়ে এসে কেন এই হুমকি দিলেন ট্রাম্প? এ বিষয়ে বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প এর আগেও বলেছেন যে তিনি আদালতে যাবেন। হেরে যাবার শঙ্কা থেকেই মূলত তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। ট্রাম্পের উদ্দেশ্য হল যদি নির্বাচনে হেরে যান, তবে তিনি আদালতে যাবেন এবং পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করবেন।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হতে হলে ২৭০টি ইলেক্ট্রোরাল ভোট পেতে হবে। সংবাদ সংস্থা এপির তথ্য অনুযায়ী, ৫০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে এখন পর্যন্ত ৪৩টি রাজ্যের তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাতে ২৩৮টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট পেতে যাচ্ছেন জো বাইডেন অপরদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প পেতে যাচ্ছেন ২১৩টি ভোট।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.