প্রেমিকার বাড়ি যেইদিক ঐ দিকে সূর্য ওঠে

১৮৭

লেখক: হোসেন রওশন।

তখন ক্লাস নাইন, পাড়ার মোড়ে নার্গিস মমতাজ আর আশরাফ উদাসের ছড়াছড়ি। মুজিব পরদেশীরে চিনলাম ছ মাস বাদে। অঞ্জন দত্তের সাথে আমাদের চেনাজানা গোপনে কিছুটা, হাইস্কুলের সামনে ফর্সা মতন লোকটা চুড়ি ফিতা বেচতো। নাম ভুলে গেছি অথবা উনার নাম আমি কোনোদিন শুনি নাই, ফুল সাউন্ডে বাজাইতো “পাড়ায় ঢুকলে ঠ্যাং খোড়া করে দেবো” টিফিন টাইম।

টিফিন মানে খাইতে যাওনা না, প্রেমিকার ক্লাস রুমের সামনে শূণ্য একটা অংক খাতা নিয়ে বসে থাকা।
লাইনের সাথে নাইনের কী সম্পর্ক! জয় গোস্বামী সেই খবর জানাইছেন মালতিবালা বালিকা বিদ্যালয়ে।
প্রেমে পড়লে বয়স বাড়েনা, বয়স লুকানোর লোভে আমি প্রেমের ক্লাসে পাস করি নাই-
মন কে টিকটিকির ডিম বানায়ে প্রেমিকার সেমিজের ভিতর ছেড়ে দিই আর খুব ভোর বেলা ফোন করি আতঙ্ক সমেত মেয়ের বদলে যদি মায়ে কথা!
লাইন পেয়ে গেলে-
বটগাছে একা বসে আছি সারা রাত ভর, সূর্য না উঠলে আমি বাড়ি যাব না আর তুমি তো জানোই-
আমার সূর্য দক্ষিনে উঠে উত্তরে অস্ত যায়।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.