প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ।

১৯

ডেস্ক রিপোর্ট-

গত ১৩ সেপ্টেম্বর ভোলার বাণী ও অন্যন অনলাইন পত্রিকায় “স্বজন প্রীতিতে গড়ে উঠছে পূর্ব কাজিরচর স: প্রাথমিক বিদ্যালয়” সংবাদ শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত উল্লেখ করে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করেছেন স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি, অবিভাগবকগণ ও স্থানীয় সচতন মহল।

প্রতিবেদকের বক্তব্য :স্বজনপ্রীতিতে গড়ে উঠা ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশার বিচ্ছিন্ন এলাকায় গড়ে উঠা সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি নিয়মনীতি উপেক্ষা করে নানা অনিয়ম চলছে। একটি বিচ্ছিন্ন এলাকা হওয়ায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কোন কর্মকর্তা তেমন পা না রাখায় পারিবারিক সংসারের মতন জবাবদিহিতাহীন ভাবে পরিচালনা হচ্ছে এমন অভিযোগে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ১৯৮নং পুর্বকাজীচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭/৮ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে একজন গেস্ট টিচার (রহিমা)রয়েছে শ্রেনী কক্ষে পাঠদানরত। সহকারী দুই শিক্ষিকা আপন বোন রাবেয়া ও খালেদা গল্পে মশগুল শিক্ষার্থীহীন একটি কক্ষে। অপরকক্ষে দুই শিক্ষার্থী গুটি খেলছে। বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না প্রধান শিক্ষক মাওলানা আবু নাইম। তবে প্রধান শিক্ষক উপজেলা শিক্ষা অফিসে ছিলেন বলে জানিয়েছেন সহকারী শিক্ষিকা রাবেয়া।এ বিদ্যালয়ের সভাপতি নিয়েও রয়েছে আরেক অনিয়ম।
মূলত ঘটনা হলো: গত ০৮ ই সেপ্টেম্বর বেলা ১২:৩০ মিনিটের দিকে প্রথম শিফট ছুটির পরে সাংবাদিক পরিচয়ে দুইজন লোক স্কুলে আসেন,এসে বলেন এলাকার লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে তারা স্কুল পরিদর্শনের জন্য এসেছেন তখন খালেদা মেডাম ক্লাস ৫ এর ক্লাসে শিক্ষাথীদের বাড়িরকাজের খাতা দেখতেছিলেন এবং রাবেয়া মেডাম লাইব্রেরীতে ছিলেন। স্কুলে শিক্ষকের পদ শুন্য থাকার কারণে উপজেলা শিক্ষা অফিস এর অনুমতি নিয়ে একজন প্রাক শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে যেটা উপজিলা প্রশাসন জানে। প্রধান শিক্ষক আবু নাঈমের অনুপস্তিতের কথা বলা হয়েছে যেটা বানোয়াট কারণ আবু নাঈম তখন স্কুলের কাজে উপজেলাতে ছিলেন যে বিষয়টি উপজিলা শিক্ষা অফিস অবগত । কমিটির সভাপতির যে কথাটি বলা হয়েছে তার নাম ম্যানেজিং কমিটির খাতায় নাই সে পূর্বের কমিটিতে ছিলেন। স্কুলটি দীর্ঘদিন জরাজীর্ণ অবস্থায় চলতেছিল কিছুদিন আগে সরকারি বরাদ্ধের মাধ্যমে ৪ তলা ভবনে উন্নতি করণের জন্য বিল পাস্ হয় এবং পুরাতন বিল্ডিংটি ভাঙার জন্য নিলামে তুলে হয়। পুরাতন ভবনটি ভাঙ্গন কাযক্রম ও নতুন ভবন নির্মাণ শুরু হয় যার ফলে পুরাতন বিল্ডিং এর সমস্ত কিছু একটি রুমে এনে রাখা হয় এবং ওই রুমে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি লাগানো হয় ,তারা যে ছবির কথা বলেছে তারা নতুন রুম টি হয়তোবা খেয়াল করেনি।
একটি সরকারি বিদ্যালয়ে দুই বোন চাকরি করতে পারবেনা সরকারি এইরকম বিধিনিষেধ নেই তারা সরকারের সকল নিয়ম কানুন ও নিয়োগ নিয়েই সরকারি স্কুলে চাকুরী করিতেছে এবং প্রধান শিক্ষকের শুধু স্কুল না অফিসিয়াল কাজগুলো ও দেখতে হয়। আমরা ম্যানেজিং কমিটি সবসময় স্কুলের তদারকি এবং নজরধারী করি ,একটি স্কুল নিয়ে এই ধরণের ঘটনা আসলে এ লজ্জাজনক।
স্থানীয় একটি দুষ্টচক্র বিদ্যালয়ের উন্নয়ন অগ্রগতি ব্যহত করতে এবং সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই বানোয়াট ও কাল্পনিক তথ্যের ভিত্তিহীণ অভিযোগের মিথ্যে সংবাদ প্রকাশ করেছেন। ঘটনাটি সর্বৈভ মিথ্যা। চক্রটির তথাকথিত কতিপয় সংবাদিকদের ব্যবহার করে এজঘন্যতম মানহানিকর। কাজটি করেছেন।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.