পেলের কাতারে এসেও জয় পেলো না মেসি, ঘরের মাঠে হোঁচট

ফাহিম আল মামুন,খেলাঃ একমুহূর্তে রোনালদোকে ছাড়িয়ে গেলেন, পরের মুহূর্তেই পাশে বসলেন পেলের। ক্যারিয়ারে পেনাল্টি থেকে গোল করার ব্যর্থতায় মেসি-রোনালদো সমতায় এসেছেন গতকাল বুধবার। কিন্তু ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে আজ প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে পেনাল্টি পেয়েছিল বার্সেলোনা। সেখান থেকে গোল করতে ব্যর্থ হয়ে রোনালদোকে ছাড়িয়ে গেলেন মেসি। কিন্তু ফিরতি বল থেকে গোল করেই আবার পাশে বসলেন পেলের।

এক ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ছিল পেলের। সান্তোসের হয়ে ৬৪৩ গোল ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধেই তাঁর পাশে বসে গেলেন মেসি। কিন্তু এমন ঐতিহাসিক দিনে ম্যাচ শেষে জয়ের হাসি হাসতে পারেননি মেসি। ঘরের মাঠে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্রতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বার্সেলোনাকে।

এক ক্লাবের হয়ে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডটি ছিল পেলের। সান্তোসের হয়ে ৬৪৩ গোল ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির। ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধেই তাঁর পাশে বসে গেলেন মেসি। কিন্তু এমন ঐতিহাসিক দিনে ম্যাচ শেষে জয়ের হাসি হাসতে পারেননি মেসি। ঘরের মাঠে ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ২-২ গোলের ড্রতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বার্সেলোনাকে।
বার্সার ঘরের মাঠে খেলা। কিন্তু প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ সৃষ্টিতে এগিয়ে ছিল ভ্যালেন্সিয়াই। দ্বিতীয় মিনিটেই একটি সুযোগ হাতছাড়া করেছে দলটি। ২০ মিনিটে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া অতিথিদের। ২৫ মিনিটে বার্সা রক্ষণ দুবার বেঁচে গেছে ভ্যালেন্সিয়া ফরোয়ার্ডদের সিদ্ধান্তহীনতায়।

২৮ মিনিটে দুর্দান্ত এক বাঁকানো শটে গোলটা প্রায় পেয়েই গিয়েছিলেন কার্লোস সোলের। কিন্তু দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে সে যাত্রা বার্সাকে বাঁচিয়েছেন মার্ক-আন্দ্রে টের স্টেগেন। কিন্তু পরের মিনিটেই সে দুঃখ ভুলেছেন সোলের। তাঁর ক্রস থেকে ফাঁকায় দাঁড়ানো মুক্তার দিয়াখাবির হেড জালে আশ্রয় নিয়েছে।

এরপর ব্যবধান বাড়ানোর বেশ কয়েকটি সুযোগই পেয়েছে ভ্যালেন্সিয়া। কিন্তু ডেনিস চেরিশেভ সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। আর ৪৪ মিনিটে ম্যাক্সি গোমেজের হেড আরেকটি অসাধারণ সেভে বাঁচিয়ে দিয়েছেন টের স্টেগেন। ৪৫ মিনিটে পেনাল্টির পর হওয়া নাটকের কথা বলাই হলো আগে।

দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ভ্যালেন্সিয়া। কিন্তু চেরিশেভ অবিশ্বাস্যভাবে সে সুযোগ হাতছাড়া করেছেন। এর মূল্য মিনিট পাঁচেক পরই দিয়েছে তারা। বক্সে ঢোকা এক বল থেকে দুর্দান্ত এক সিজর কিকে গোল করেছেন বার্সা ডিফেন্ডার রোনাল্ড আরাওহো।

৫৫ মিনিটে মার্টিন ব্রাথওয়েইট ব্যবধান বাড়িয়ে ফেলেছিলেন প্রায়। কিন্তু এই স্ট্রাইকারের হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়েছেন ভ্যালেন্সিয়ার গোলরক্ষক ডমেনেখ। ২-১ গোলে এগিয়ে মাঠের দখলে বেশি মন দেয় বার্সেলোনা। আর আগের মতো প্রতি আক্রমণকেই ভরসা মানে ভ্যালেন্সিয়া।

৬৯ মিনিটে এরই ফল পেয়েছে দলটি। বাঁ প্রান্ত দিয়ে গনসালো গেদেসের দারুণ এক পাস নিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েন প্রথমার্ধে পেনাল্টি উপহার দেওয়া হোসে গায়া। ভ্যালেন্সিয়া অধিনায়কের কাছ থেকে পাওয়া বলে আলতো করে পা ছুঁয়েই বার্সা রক্ষণের ফাঁক বের করে নেন ম্যাক্সি গোমেজ। ২-২!

৭৮ মিনিটে বেশ আগ্রহ জন্মানো এক খেলোয়াড় বদল ঘটান বার্সেলোনা কোচ রোনাল্ড কোমান। ফরোয়ার্ড কুতিনিওকে তুলে ডিফেন্ডার লংলেকে নামান কোচ। তিন সেন্টারব্যাক রেখে দুই ফুলব্যাককে উইংব্যাক বানিয়ে আক্রমণের তীব্রতা বাড়ানো আর ক্রসনির্ভর আক্রমণে ডি-বক্সে লংলের সক্ষমতা কাজে লাগানোর চেষ্টা অবশ্য খুব বেশি টের পাওয়া যায়নি। অবশেষে ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় কাতালানদের।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.