নীলফামারীর সাধু পাড়ায় পুড়ে ছাড়খার ৭টি পরিবার

৬৯

ওমর ফারুক, ব্যাুরো প্রধান,রংপুর :

নীলফামারীর কচুকাটা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সাধুপাড়ায় ২২ অক্টোবর,শনিবার বেলা ২ টা, হঠাৎ ঘর থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হতে শুরু করলে লাইট চার্জে দেওয়া ছিল সেটি স্পারকিং হতে না হতেই আগুন চার দিকে নিমিসেই ছড়িয়ে পড়ে,সম্ভব হয়নি কোন কিছুই ঘর থেকে বের করার, নরেশ এর পুড়ে গেলে ৭০ হাজার টাকা, ৪০ হাজার টাকার গহনা..,মেয়ের বিয়ের দেওয়ার জন্য যাবতীয় পোশাক, প্রায় কয়েক লক্ষ টাকা, আরো অনেক দামি আসবাবপত্র ও জমির দলিল।

ঘটনাটি এমন ভাবে আমাদের সবকিছু কেঁড়ে নিবে আমরা কখনো ভাবতে পারি নাই, এলায় মুই টাকা থুইইয়া নদীত গাও ধুবার গেনু আসি দেখাছো সব শেষ হয়ে গেইছে, বেটিক বিয়াও দিবার জন্যে ৪০ হাজার টাকার সোনা কিনি থুছি সেলাও পোড়া গেলো বাবারে, হামার ঘরত থাকিবারও কোন ব্যবস্থা নাই, এমন হাজারো চিৎকার রানী বালা, হরিদাস ও নরেশের।

৭ টি পরিবারের মধ্যে
হরিদাস, নিতেন রায়,প্রবায় রায় ,পরিতোষ,, খিতিষ রায়,অধির তারা জানান আমরা পরিশ্রম করি, কৃষি জীবনযাপন করে দিন চালাই, আমরা যে এভাবে নিঃশেষ হয়ে যাবো কল্পনার বাহিরে, আমাদের দাড়ানোর আর শক্তি নাই, তাদের অশ্রু ঝড়া আবেদন পাশে দাড়ালে আমরা আলোর মুখ দেখবো।

তবে এঘটনা আরো কম ক্ষতি হত যদি ঠিক সময়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আসলে আগুন নিভাতে পারতো, কিন্তু জানতে পারলাম স্থানের নাম ঠিক ভাবে না জানায় বিভিন্ন পাড়ার রাস্তা দিয়ে আশায়, রাস্তা চলাচলের উপযোগী নয়, বেহাল অবস্থা রাস্তার, এ জন্য তারা আসতে পারে নাই।

এ দিকে ফায়ার সার্ভিসের হাবিল্দার জানান আমরা ঠিক সময়ে এসেছি, তবে রাস্তায় গাড়ি চলাচলের মত কোনো ব্যবস্থা ছিল, না, একটা মোটরসাইকেল যাওয়ারও উপযুক্ত নয় এ রাস্তা, তবুও আমরা হেঁটে এসেছি,তবে তার আগে ঘটনাস্থলে এলাকার লোকজন নদী ও পুকুরের পানিয়ে দিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

100% LikesVS
0% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.