নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কাজের ধীরগতিতে জনসাধারণের ভোগান্তি চরমে

২৪

মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন,হাটহাজারী প্রতিনিধিঃ হাটহাজারী থানার অন্তর্গত ১০ নং উত্তর মাদার্শা ইউনিয়ন পরিষদের শাহ মজিদিয়া হাফেজিয়া মাদরাসার নির্মাণাধীন প্রধান সড়কের কাজ চলছে খুবই ধীরগতিতে। সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে প্রতিবেদন তৈরীর সময়ে উক্ত সড়কটির কাজের নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কোন প্রতিনিধি বা সাইট ভিজিটরের দেখা পাওয়া যায়নি। বরং সেখানে মাত্র ছয়জন লেবার কাজ করছিলেন নিজেদের খেয়াল খুশি মতো। কেউবা রাস্তার পুরাতন ইট ভাঙ্গছে কেউবা বালি ও কংকর ফেলছে। এক কথায় বলতে গেলে তারা তাদের কাজ গুলো করে যাচ্ছে খুব অপরিকল্পিত ভাবে।

কাজের সময়ে তাদের একজনকে কথা বলতে বললে তিনি বলেন। মিডিয়ার লোকের কাছে কথা বলা মালিক পক্ষের নিষেধ আছে! ক্ষানিকটা দূরে এগোতেই চোখে পড়লো সেই পুরনো মান্ধাতার আমলের সময়ে নির্মিত, স্থানীয় উদ্যোগে জনসাধারণের চলাচলের জন্য বাঁশের সাঁকোটি। দেখেই ক্ষানিকটা সময়ের জন্য থ বনে গেলাম ! তখন দুজন যুবক বয়সী ছেলের মধ্য একজন এসে বললো ভাইয়া । আমাদের হাটহাজারীতে অনেক প্রিয় চেনা জানা এবং পাশের এলাকার একজন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী ভাইয়েরা আছেন তবুও উনি বা উনারা এই রাস্তাটির এবং উক্ত বাঁশের সাঁকোটির বিষয়েও কোন পত্রিকাতে তুলে ধরেন নি।

তবে আপনি এসেছেন দেখে ভালো লাগলো আর মনে আশার আলো জাগলো। পরে সামনের দিকে আমি নিজেও অনেক কষ্টে রাস্তার বালির উপর দিয়ে বাইসাইকেল চালিয়ে গিয়ে ছোট খালের উপর ব্রীজ দেখতে পায়। ব্রিজে উঠার জন্য এপাশ ওপাশের চিত্র খুবই বেহালদশা ! নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি গিয়ে শেষ হয়েছে শাহ মজিদিয়া হাফেজিয়া মাদরাসার পুকুরপাড়ের সামনের সড়কের একটু অদুরে। তবে এখানেই শেষ নয় ? বরং এখান থেকেই স্থানীয় জনসাধারণের উত্তর মাদার্শার তেমহনী পর্যন্ত যেতেই আসল ভোগান্তির শুরু। এখান থেকে খুব কম হলেও প্রায় এক কিলোমিটার দুরত্বের মতো হবে তেমহনী বাজার । কিন্তু এই কিলোমিটারের পথ পাড়ি দিতে গাড়ির দম শেষ। বিশেষত এই পথ দিয়ে কোন ইঞ্জিনচালিত গাড়ি আসতে চাইনা বা আসেওনা।

গতকাল আমি ছবি তোলার সময়ে উক্ত সড়ক দিয়ে কয়েকজন অসুস্থ মহিলাকে হেটে তেমহনী বাজার থেকে ফতেয়াবাদগামী গাড়ীতে উঠতে দেখেছি। তাদেরই একজন মহিলা বলেন, আমি ও আমরা এলাকাবাসী ও আমাদের দুরদুরান্ত থেকে আগত বিশেষ করে নতুন মেহমানরা এই একটি সড়কের জন্য আতিথেয়তা করার জন্য আসতে বিমুখ। আর পুরাতন মেহমানরা এক প্রকার আসেন না বললেই চলে। সাথে কোন অসুস্থ রোগী হলে এর ভোগান্তি সব চেয়েই বেশী ।

আশা করি সম্মানিত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উক্ত সড়কের বিষয়ে জনসাধারণের নানাবিধ চরম ভোগান্তির কথা বিবেচনায় এনে দ্রুততম সময়ের মধ্যে আগামী বর্ষার মৌসুমের আগেই আমাদের দুর্ভোগ লাঘব করবেন । পরিশেষে আমাদের দৈনিক সাহসী কন্ঠ পরিবারের পক্ষ থেকেও বিনীত আহ্বান করা হলো উক্ত সড়কের দ্রুত নির্মাণের বিষয়ে।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.