নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন পদক্ষেপ না নিয়েই বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজ শুরু

৩৮

নিজস্ব প্রতিবেদক,ফুলছড়ি-গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা ফুলছড়ির চর অঞ্চলে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে বিদ্যুৎসাপ্লাই দিচ্ছে । স্থানীয় একজন কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, মানুষের যদি-ভিটা না থাকে বিদ্যুৎ দিয়ে কি করবে তারা ।
ইতোমধ্যে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্রের নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার চর কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝানঝাইড় কমিউনিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পশ্চিম কালাসোনা বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এজন্য বিদ্যালয় ৩টি অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। জিগাবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চৌমোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এছাড়াও হুমকির মুখে পড়েছে।
বন্যার পানি কমার সঙ্গেসঙ্গেই গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও সদর উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা ও ঘাঘট নদীর স্রোতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী ভাঙ্গন মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এতে প্রায় সাড়ে ৬-৭ হাজার পরিবার ভাঙ্গন কবলিত হওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছে।
পল্লীকে বাচাতে সরকার টেকসই নদী শাসন ব্যবস্থাপনা কার্যকর করলেও অসহায় মানুষের ভাগ্যের কোন পরিবর্তন হয়নি। অস্তিত্বহীন মানুষের বিদুৎ এর প্রয়োজন কতটুকু?

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.