ডিমলায় ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত-

১৬

মাহমুদুল ইসলাম সোহাগ –
নীলফামারী-ডিমলা প্রতিনিধিঃ-

নীলফামারীর ডিমলায় সাধারন জনগনের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। সামান্য খরকুটোতে আগুন দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ও শিশু সহ বয়বৃদ্ধরা। দিন-রাত হালকা ও ঘন কুয়াশা ও অতিরিক্ত ঠান্ডায় জনজীবনে নেমে এসেছে নীরবতা ও নিস্তব্ধতা। যানবাহন চলাচলে অনেকটাই সমস্যা হচ্ছে, অনেকেই যানবাহনের হেডলাইট জ্বালিয়ে গাড়ী চলাচল করতেছে। রবিবার সকালে ডিমলা কৃষি ও আবহাওয়া অফিস জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় এ উপজেলায় ১০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। ঘন কুয়াশা ও ঠান্ডায় তাপমাত্রার আরো দ্রুত অবনতির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে, অব্যাহত কুয়াশা ও ঠান্ডায় কাতর হয়ে পড়েছে খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা। সকাল থেকে গত এক সপ্তাহ ধরে হালকা কুয়াশায় সূর্যের আলো দেখা যায়নি। কিন্তু গত দুইদিন সূর্যের আলো দেখা গেলেও, ১৭/০১/২০২১ইং (রবিবার) সূর্যের দেখা নেই, তৎসঙ্গে হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডার তীব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে নিদারুণ কষ্টে আছে খেটে খাওয় সাধারণ মানুষ বয়স্ক বৃদ্ধ ও শিশুরা। শীতের প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলোর কষ্ট বেড়েই চলেছে। 
গয়াবাড়ীর ডাক্তার পাড়ার কৃষক এরশাদ মিয়া বলেন, এ রকম ঠান্ডা আর কুয়াশা থাকলেতো হামার ক্ষেত বাড়ীর কাজ করতে খুবেই সমস্যা হচ্ছে, এরকম কনকনে ঠান্ডা ও হালকা বাতাস সাথে গুড়ি গুড়ি শীত পরার কারনে হাত পা অবস হয়ে যায়ছে, খালিশাচাপানির দুলাল মিয়া বলেন, এখন ধানের চারা রোপনের সময় কিন্তু গত কয়েক দিন থেকে ঘন কুয়াশা পরছে এই রকম হইতে থাকলে হামার ধানের চারাগাছ ঠিকমতন গজাবেই না। গয়াবাড়ীর শাইল্লাপাড়ার ভুট্টা চাষী বাবু শ্রী কৃষ্ণ রন্জন রায় জানান ভুট্টার চারা এখন কিছুটা বড় হয়ে গেছে তাই এরকম কুয়াশা ও শীতে ভুট্টা গাছের তেমন কোন ক্ষতি হবে না, ক্ষতির সম্ভাবনা কেটে গেছে, তিনি আরো বলেন এই ঘন কুয়াশা প্রচন্ড ঠান্ডায় সাধারন মানুষের অনেক দুর্ভোগ হচ্ছে বিশেষ করে বৃদ্ধ ও শিশুরা। এ শীতে গরীব দুস্থ অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতাড়ন করেছে বিভিন্ন সমাজসেবী সংগঠন বলে জানা যায়।

50% LikesVS
50% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.