ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক এবং কর্মচারীদের সাথে নগদের প্রতারণার অভিযোগ

১,৭১৯

আমির, হোসেন(হাতিয়া)নোয়াখালীঃ

করোনা মহামারি আমাদের জীবন যেমন নিয়ে নিচ্ছে ঠিক অর্থনীতি ও দুর্বল করে দিচ্ছে। এতে খেটে খাওয়া মানুষ গুলোর করুন অবস্থা। সরকারি বাজেটে বরাদ্দ থাকলেও কিভাবে তা পাবে তা সাধারণ মানুষ এখনো জানে না।

বাংলাদেশের স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদ্রাসা গুলো ৩৭ বছরেও জাতীয়করণ হয়নি।বিনা বেতনে শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছে লাখো শিক্ষক।করোনা মহামারি কারনে অনেক শিক্ষক অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু হয়ে পড়েছেন।তারা মাদ্রাসা গুলো জাতীয়করণের দাবি জানিয়ে আসছে।আজো প্রেস ক্লাবের সামনে মাদ্রাসা গুলো জাতীয় করণের জন্য অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে।
এতে মাদ্রাসার শিক্ষক এবং কর্মচারীদের দু বেলা খাবারের আহাজারি চলছে।

গত কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী মাদ্রাসা শিক্ষক এবং কর্মচারীদের জন্য প্রণোদনা সহায়তা দিয়েছেন। শিক্ষক প্রতি ৫০০০ টাকা এবং কর্মচারীদের জন্য ২৫০০ টাকা।

টাকা দেওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশ এবং নগদের মাধ্যম নেয়া হয়। কিন্তু কোন প্রতিষ্ঠানে ১ জন কোনো প্রতিষ্ঠানে ২ জন এবং কোন প্রতিষ্ঠানে কেউ পাইনি।

তার মধ্যে নগদ আশ্রয় নেয় প্রতারণার, একজন শিক্ষক আমাদের জানান নগদ একটি এসএমএস দেয় যাহা Tax ID: 70STN5N8 থেকে আসে ৫০৩০ টাকা একাউন্টে ও টাকা আসে। পরের দিন +৮৮১৫৫৪৭০২১০৪ থেকে একটি এসএমএস আসে তাতে লেখা ছিলঃ

করোনা পরিস্থিতির কারণে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সৃষ্ট সমস্যা লাঘবের জন্য আপনাকে ৫০৩০ টাকা নগদের মাধ্যমে সহায়তা করা হলো।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ সরকার।

কিন্তু কোন প্রকার নোটিশ বা এসএমএস ছাড়াই নগদ টাকা গায়েব করে নেয়।সেই শিক্ষক নগদের মাধ্যমে ফেইসবুক ফেইজ এর মাধ্যমে জানালেও নগদ কোন উত্তর দেয় নাই। শুধু ঐ শিক্ষক নয় নগদ হাতিয়ে নিয়েছে লোখো শিক্ষকের কোটি টাকা।প্রতারণা করেছে ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষক এবং কর্মচারীদের সাথে।

তাই এই নিউজের মাধম্যে কর্তৃপক্ষের কাছে সকল শিক্ষক এবং কর্মচারীদের হয়ে তিনি আবেদন করেন যাতে সরকারের দেয়া অন্তত প্রণোদনার টাকাটা ফেরত দেয়।
এতে কিছুটা হলেও বেতন না পাওয়া শিক্ষক এবং কর্মচারীদের কষ্ট লাঘব হবে।
এমনটা হয়েছে

98% LikesVS
2% Dislikes
Leave A Reply

Your email address will not be published.